
মোঃ শাহানশাহ সোহান,তেতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি
গতকাল ০৫ মার্চ তেতুলিয়া উপজেলার, রণচন্ডি গ্রামের শ্রী দিপালী রানী নামে এক গর্ভবতী নারীকে নিউ আদর্শ হাসপাতাল এ ছিজার এর জন্য নিয়ে যাওয়া হয় ।
ছিজার করার পরে তার জরুরি ভিত্তিতে বি পজিটিভ রক্তের প্রয়োজন হয় । শ্রী দিপালী রানীর পরিবার এর কারো কাছে বি পজিটিভ রক্ত না মিল পাওয়ায় । তার পরিবার বাইরে খোঁজ করার পর মাঝিপাড়া ,লোহাকাচি গ্রামের মোঃ মনির হোসেন(২৭)নামে এক যুবক এর রক্তের গ্রুপের সাথে মিল পাওয়া গেলে মো:মনির হোসেন স্বেচ্ছায় রক্তদান করতে যান ।
রক্ত বের করার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিস শ্রী দিপালী রানীর পরিবার আগেই বেবস্থা করে রাখেন । নিউ আদর্শ হাসপাতাল থেকে রক্ত ডোনেট করার কিছুক্ষণ পর । নিউ আদর্শ হাসপাতাল এর এক নার্স শ্রী দিপালী রানীর পরিবার কে বলেন রক্ত মিলানো জন্য সাতশত টাকা ফি দিতে । রক্ত দান কারি মো:মনির হোসেন বলেন এটা কিসের ফি দিতে হবে ? সে প্রশ্নের উত্তর নিউ আদর্শ হসপিটাল এর নার্স বলেন রক্ত গ্রুপ টেস্ট করা ও রক্ত রিসিভ করার জন্য সাতশত টাকা জমা দিতে হবে ।
শ্রী দিপালী রানী পরিবার টাকা পরিশধ করার পর রিসিভ কপি চাইলে । নানান রকমের অজুহাত দেখিয়ে কথা কাটিয়ে নেই । এই দৃশ্য দেখতে পেয়ে রক্ত দানকারী মো:মনির হোসেন, তার বন্ধু মো:শেখ ফরিদ ও শ্রী দিপালী রানীর পরিবার মিলে নিউ আদর্শ হাসপাতাল এর এমডি/ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষর মো: সাইদুল হোসেন ও তার সহ-কর্মী কাছে গেলে । তারা বলেন আমাদের হাসপাতাল এ আমাদের নিয়ম অনুযায়ী চিকিৎসা সেবা নিতে ইচ্ছে থাকলে থাকেন না হলে আপনারা নিজে হাসপাতাল করে নেন । এ কথা বলার কারণ মনির হোসেন ও শেখ ফরিদ জানতে চাইলে তাদের কে উল্টা পাল্টা কথা বলে ও নানান ধরনের গালি-গালাজ করেন ও বলেন এই মুহূর্তে হাসপাতাল থেকে বের হতে । কর্তৃপক্ষর মো:সাইদুল হোসেন ও তার সহ-কর্মী ।
মোঃ শাহিন (৩৩)নামক এক রোগী বলেন । চার মাস আগে আমি নিউ আদর্শ হাসপাতালে হার্নিয়া ওপোরেশন করি । ঐ হাসপাতালে আমি ওপোরেশন করে অনেক হয়রানির শিকার হয়েছি ।পরবর্তীতে আমি পুনরায় ঢাকায় চিকিৎসা করি ।ঢাকার চিকিৎসক আমাকে বলেন যে, আপনি যদি আর কিছু দিন দেরি করতেন আপনার বড় ধরনের সমস্যা হতে পারত । আমি সাধারন একজন গার্মেন্টস কর্মী হওয়া সে প্রতিষ্ঠান এর প্রতিবাদ করতে পারিনি । ঐ হাসপাতালে আমি বেতিতো আরো অনেকেই ওপোরেশন করে হয়রানির শিকার হয়।













