
মোঃ জিলুর রহমান মিলন,পাংশা (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি
রাজবাড়ীর পাংশায় মিজানুর রহমান মুকু (৪৭) নামের এক স্কুল শিক্ষককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত মিজানুর রহমান পাংশা পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারিক ছিলেন। মুকু উপজেলার কলিমহর ইউনিয়নের বসাকুষ্টিয়া গ্রামের ইব্রাহিম মন্ডলের ছেলে। রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পাংশা উপজেলার কালিমহর ইউনিয়নের হোসেনডাঙ্গা বাজারের পাশে পাকা রাস্তার উপর এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ‘মিজানুর রহমান মুকু গ্রন্থাগারিকের পাশাপাশি কালিমহর ইউনিয়নের হোসেনডাঙ্গা বাজারে সারের দোকান পরিচালনা করতেন। ওই দোকানে রোববার হালখাতা ছিল। দিনভর হালখাতার কার্যক্রম শেষ করে রাত সাড়ে ৯টার দিকে মোটরসাইকেল যোগে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। দোকান থেকে একটু দূরে গেলেই দুর্বৃত্তরা তার গতিরোধ করে এবং কানের পাশে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুলির শব্দে তারা ঘটনাস্থলে এসে মিজানুর রহমান মুকুকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। ওই সময়ই বিষয়টি তারা পাংশা থানা পুলিশকে অবহিত করেন।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কলিমহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোছাঃ বিলকিস বানু বলেন, ‘ওই এলাকায় সন্ত্রাসীর আনাগোনা বেড়েছে। কিছু দিন পূর্বে গুলি করে একজন গৃহবধুর চোখ নষ্ট করে দেয়া হয়েছে।
স্থানীয় একাধিক ব্যাক্তি বলেন- মিজানুর রহমান একজন ভাল মানুষ ছিলেন শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি ব্যবসা করতেন এলাকায় তার রাজনৈতিক বিচরণ ছিল না, কেন কি কারনে তাকে হত্যা করা হল এ নিয়ে ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। মিজানুর রহমান ৩ সন্তানের জনক। মিজানুর রহমান পাংশা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম মারুফের বোন জামাই ছিলেন। এ ঘটনায় পরিবার সহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এলাকাবাসি ও পাংশা পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা এ হত্যাকান্ডের সুষ্ঠ বিচার দাবী করেন।
পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান বলেন কারা কি কারণে মিজানুর রহমানকে গুলি করে হত্যা করেছে তা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি অপরাধীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।












