
মোঃ শাহজামাল,ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি:
“শেরপুর জেলার অর্ন্তগত ঝিনাইগাতী উপজেলায়, পাবলিক লাইব্রেরির দাবিতে গত-১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায়”ঝিনাইগাতী ক্ষুদ্র মিল মালিক ও খাদ্য ব্যবসায়ী কল্যাণ সমবায় সমিতি লিঃ” এ এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও লেখক মোঃ শামছুল হক শামীম এবং উপস্থাপনায় ছিলেন সাখাওয়াত হোসেন সোহেল সহ স্থানীয় তরুণরা।
শেরপুর জেলায় গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয় গনগ্রন্থাগার অধিদপ্তর -টি “খান বাহাদুর ফজলুর রহমান ” জেলা সরকারি গনগ্রন্থাগার শেরপুর নামেই পরিচিত। এটি শেরপুর জেলার প্রানকেন্দ্র মাধবপুর, শেরপুর টাউন,শেরপুর এ অবস্থিত। ঝিনাইগাতী থেকে শেরপুর শহর এর দুরত্ব প্রায়-২১ কি.মি.।যার ফলে জেলা শহরে গিয়ে লাইব্রেরিতে বই পড়া অসম্ভব। তাই বর্তমান ডিজিটাল যুগে সাহিত্য চর্চা, আদর্শ নাগরিক গঠনে লাইব্রেরির বিকল্পনেই।
বিশ্বকবি-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর’লাইব্রেরি’প্রবন্ধে লিখেছেন,”লাইব্রেরিতে মানবাত্মার ধ্বনিরাশি বইয়ের পাতায় বন্দী হয়ে থাকে।” “বই আমাদের অতীতের সাথে সেতুবন্ধ গড়ে দেয়।” এই বইয়ের স্থান হলো লাইব্রেরি। প্রমথ চৌধুরী -তাঁর “বই পড়া”প্রবন্ধে -লাইব্রেরির সার্থকতা হাসপাতালের চাইতে কিছু কম নয় এবং স্কুল-কলেজের চাইতে একটু বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
উল্লেখযোগ্য কবি ও লেখকের পঙক্তির আলোকে স্থানীয়রা মনে করেন, ঝিনাইগাতীতে একটি পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্টিত হলে নতুন প্রজন্মরা সাহিত্য কে লালন ও ধারণ করতে পারবে। এতে রাষ্ট্র ও সমাজের মধ্যে রক্ষা পারে বিভিন্ন প্রকার -বিশৃঙ্খলা,অপহরন,নারীনির্যাতন,চুরি,ছিনতাই,মাদকাসক্ত ইত্যাদি মোবাইল আসক্ত অপরাধ থেকে।
তা-ই লাইব্রেরি প্রতিষ্টা করার লক্ষ্যে প্রয়োজন জেলা প্রসাশন ও স্থানীয় উপজেলা প্রসাশনের সুদৃষ্টি। শেরপুর জেলা প্রাসাশনের উদ্যোগে ইতোপূর্বে বেশ কিছু স্থাপনা স্থাপিত হয়েছে।
ঝিনাইগাতী,বাসীর-সাহিত্যিক,কবি,লেখক, পাঠক ও তরুণ মেধাবীদের বর্তমানের দাবি একটাই, “ঝিনাইগাতীতে পাবলিক লাইব্রেরি চাই”। স্থানীয়রা সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকসহ বিভিন্ন সভায় মতামত ব্যক্ত করেছেন। তাঁরা আশা করছেন যে, অতিশীঘ্রই ঝিনাইগাতীতে পাবলিক লাইব্রেরির ব্যাপারে প্রসাশনিক ভাবে নোটিশ ঘোষণা করবেন।












