
মাসুম বিল্লাহ শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি:
বাংলাদেশের কৃষির বর্তমান বড় চ্যালেঞ্জ হলো অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যতিরেকে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি করে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করা। তাই, কৃষক পর্যায়ে ট্রাইকোডার্মা জৈব সার এর উপকারিতা, উৎপাদন, সংরক্ষণ ও ব্যবহারবিধি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ ও সচেনতা বৃদ্ধির কার্যক্রমের আরো বিস্তার ঘটাতে “সরকার বহু উৎপাদন মুখী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৩০ জান নারী ও পুরুষকে নিয়ে বগুড়ার শেরপুরের পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (আরডিএ) কারিগরী সহযোগিতায় ট্রাইকোডার্মা সমৃদ্ধ ম্যাজিক জৈব সার উৎপাদনের প্রশিক্ষণ শুক্রবার (২৫ জুন) সকাল ১১টায় পোয়ালগাছা এলকায় “সরকার বহু উৎপাদন মুখী প্রতিষ্ঠানে” দেওয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (আরডিএ) উপ-পরিচালক রেবেকা সুলতানা, সরকার বহু উৎপাদন মুখী প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আবু মুসা, পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (আরডিএ) ল্যাব সহকারি আব্দুল্লাহ আল আজাদ। ট্রাইকোডার্মা জৈব সার সম্পর্কে সরকার বহু উৎপাদন মুখী প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আবু মুসা বলেন, ট্রাইকোডার্মা হচ্ছে মাটিতে মুক্তভাবে বসবাসকারি উপকারি ছত্রাক- যা উদ্ভিদের শিকড়স্থ মাটি, পঁচা আবর্জনা ও কম্পোস্ট ইত্যাদিতে অধিক পরিমাণে পাওয়া যায়। এটি মাটিতে বসবাসকারি উদ্ভিদের ক্ষতিকর জীবাণু যেমন- ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া ও নেমাটোডকে মেরে ফেলে। ট্রাইকোডার্মা প্রকৃতি থেকে আহরিত এমনই একটি অণুজীব যা জৈবিক পদ্ধতিতে উদ্ভিদের রোগ দমনে ব্যবহার করা হচ্ছে। এ সময় পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (আরডিএ) উপ-পরিচালক রেবেকা সুলতানা বলেন, উন্নত দেশের ন্যায় আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, থাইল্যান্ড, মালোয়েশিয়া ও ফিলিপাইনে ট্রাইকোডার্মার ব্যাপক ব্যবহার হচ্ছে। যা আমাদের দেশেও বিশেষ প্রয়োজন। কেননা একদিকে যেমন ফসলের উৎপাদন সন্তোষজনকভাবে বাড়ে অন্যদিকে মাটির উর্বরতা ঠিক থাকে এবং রাসায়নিক সারের উপর নির্ভরশীলতা কমানো যায়।













