
প্রজ্ঞাজ্যোতি বড়ুয়া,নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:
আজ রবিবার সকালে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার শেষ স্থান মইষ কুম বেইলি সেতু নামক স্থানে নাইক্ষ্যংছড়ির সিএনজির ও টমটম ড্রাইভারের উপর অতর্কিত ভাবে হামলা চলায় রামু উপজেলার সিএনজি সমিতির ড্রাইভাররা।
ঘটনা সূত্রে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার পুরাতন স্টেশনের সিএনজির সভাপতি জনাব সেলিম ও নাইক্ষংছড়ি উপজেলার টমটম সমিতির সহ- সভাপতি জনাব আব্দুল্লাহ কবির এবং টমটম সমিতির লাইসম্যন জোবাইর বলেন আমরা সবাই মানুষ। মিলে মিশে থাকা আমাদের সমিতির সভ্যতা। আমরা আন্দোলন সৃষ্টি করার জন্য আসি নাই। আমরা এসেছি শুধু মাত্র যাত্রী সেবাই। ওনারা আরও বলেন রামু উপজেলা থেকে এসে আমাদের নাইক্ষংছড়ি উপজেলায় আর্থিক চাঁদা বাজি চালিয়ে যাচ্ছে অনেক বছর ধরে। কারণ আমাদের সমিতির ড্রাইভার ছিল সহজ সরল।এবং আমাদের নাইক্ষংছড়ি সকল ড্রাইভার রামু উপজেলায় গেলে সকল ড্রাইভার থেকে চাঁদা বাজ করে অর্থ আদায় করতো। আজ আমরা নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার রেজিস্ট্রার গাড়ির সমিতি হয়ে তাদের কাছ থেকেই লাইসম্যান ফি দশ টাকা আদায় করতে পারছি না। তাই আমরা সব ড্রাইভার শরিত হয়ে নাইক্ষংছড়ি থানা প্রশাসনকে জানায়। সেখান থেকেই লাইসম্যনের ১০ টাকা ফি নেওয়ার অনুমোদন পেয়ে আমরা সব ড্রাইভার একত্রিত হয়ে নাইক্ষংছড়ি স্টেশন থানার মোড়ে লাইসম্যন ফি নেওয়ার কার্যক্রম চালিয়ে যায়। এই খবর পেয়ে রামু উপজেলার সিএনজি সমিতির ড্রাইভার রামু উপজেলা থেকে নাইক্ষংছড়ির শেষ সীমানায় এসে অবরোধ ও হামলা করে।
এবং নাইক্ষংছড়ি উপজেলার সিএনজি ও টমটম-কে আটকে রেখে ড্রাইভারের উপর নির্যাতন চালায়। এবং আরও জানান নাইক্ষংছড়ি উপজেলার সিএনজি ও টমটম সমিতির পক্ষ থেকে সমঝোতার সাপেক্ষে প্রস্তাব প্রদান করেন। তাদের এই প্রস্তাব মেনে না নিয়ে ড্রাইভারদের উপর নির্যাতন সৃষ্টি করে। এবং তার পাশাপাশি যাত্রীদের ও যাতায়াত ভোগান্তিতে ভুগছে। তাই নাইক্ষংছড়ি উপজেলার সকল ড্রাইভার গণ জানান রামু উপজেলার চাঁদা বাজি বন্ধ করে যাত্রীদের ভুগান্তি যেন ভুগতে না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে এবং নাইক্ষংছড়ি উপজেলার সিএনজি ও টমটম-কে লাইসম্যন ফি প্রদান করে। এবং সকল সমঝোতার মাধ্যমে আন্দোলনকে পরিহার করে উপজেলার প্রশাসনের প্রতি বিশেষ আহাব্বান জানান।













