
কাজী মাহতাব উদ্দিন,পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি
সহযোগিতায় মোঃ আবু সাঈদ,ষ্টাফ রিপোর্ট পটুয়াখালী
পটুয়াখালীর লোহালিয়া সেতুর কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এবছরের ফেব্রুয়ারী-মার্চে সেতুটি যানবাহন চলাচলের জন্য উপযোগী করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন পটুয়াখালী এলজিইডি কর্মকর্তারা।
এই সেতু চালু হলে বাউফল,গলাচিপা, দশমিনা ও ভোলার লালমোহন উপজেলার সাথে সড়ক পথে যোগাযোগ স্থাপিত হবে।
লোহালিয়া ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা প্রকৌশলী মাহবুব রহমান বলেন, বাউফল, দশমিনা যেতে আগে খেয়ার মাধ্যমে নদী পাড়ি দিতে হতো। রাতে খেয়া পারপারে সমস্যা হতো এবং যাত্রীদের গুনতে হতো অতিরিক্ত ভাড়া। সেতু চালু হলে এসব ভোগান্তী আর থাকবে না।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে নদীতে নৌযান চলাচল যাতে বিঘ্ন না হয়। সে জন্য সেতুর মাঝখানে ১০৭ মিটার দৈর্ঘ্যের স্টিল কাঠামো নির্মাণ কাজ চলমান। নির্ধারিত সময় এই বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চের দিকে সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ লতিফ হোসেন। লোহালিয়া নদীর ওপর ১৪ টি স্প্যানবিশিষ্ট ৫৭৬.২৫ মিটার দৈর্ঘ্য সেতুর নির্মাণের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৭.১৯ কোটি টাকা।
সেতু নির্মাণ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী শরীফ বলেন, ফেব্রুয়ারীর মধ্যে আমরা আমাদের নির্ধারিত কাজ শেষ করবো বলে আশা করছি। নির্মাণ কাজ শেষ হলে, সেতুর নিচে ১০৭ মিটার স্টিল কাঠামো সরিয়ে দেয়া হবে এবং এর নিচ দিয়ে বড় নৌযান চলাচল করতে পারবে।
এদিকে দশমিনা, বেতাগী সানকাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ মশিউর রহমান জন্টু জানান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী বিভাগের নির্মাণ করা সেতুতে কোনো টোল দিতে হয় না।
অন্যদিকে পটুয়াখালী জজকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এ্যাড. আনোয়ার হোসেন বলেন, লোহালিয়া সেতু আমাদের দীর্ঘদিনে স্বপ্ন,আমার বাড়ি দশমিনা উজেলার বেতাগী সানকাপুর ইউনিয়নে অনেক সময় কোর্টের কাজ শেষ করে রাতে বাড়ি যেতে লোহালিয়া খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হয়। হতে হয় ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার। সেতুর মাধ্যমে লাগামহীন ভোগান্তির অবসান ঘটবে।













