
নিজস্ব প্রতিবেদন:
কেন???
বিমর্ষ হয়ে বসে বসে ভাবছি
–
দেশে আজ ক্ষুধার্ত হায়েনার রাজত্ব,
–
মানবিকতার বাণী চলে ক্যামেরায় মাত্র!
পৌঁছে দেয় যেন নিরবতায় বাণী।
–
বাস্তবতার মানবিকতা মুখ থুবড়ে পড়ছে
দিনে বা রাত্রি।
ক্ষুধার্ত পেটগুলো পড়ে থাকে অলিতে-গলিতে।
মানবেতর জীবন এক অভিশাপ যেন,
বলো এমন কেন?
জন্মেছি সুশীল নামক মানুষ কেন?
কইরে,মনুষ্যত্ব জাগেনা কেন?
মনুষ্যত্বকে লাল দড়ি দিয়ে টেনে রেখেছে কে,কেন?
চারদিকে হাহাকার,অজস্র কান্না!
দেখতে পাওনা তুমি? বলো দেখতে পাওনা তুমি?
আরেহ,
অনাহারে থেকে দেখো
ক্ষণে ক্ষণে মৃত্যুপুরী ডাকছে,
–
মনে-মুখে বাঁচার আকুতি তারা ক্ষণে ক্ষণে জানাচ্ছে!
বহ্নিশিখা জ্বলছে,
দরিদ্র নামক অপশব্দ
এই বাংলা থেকে বিদায় নেবে কবে?
এদিকে,
এত এত ধনাঢ্যরা রাজার হালে ঘরে বসে
সুবিধাভোগীদেরই দিচ্ছে,হ্যা তারা পাচ্ছে!
কেন?
ওদিকে,
বৈষম্যের শিকার মানুষগুলো
না খেতে পেয়ে মরছে,
কেন?
বলো কেন?
পকেট উঁচু তোমার,ভালো খুব ভালো!
সেই পকেট যদি না খোলে পাশে থাকা অভুক্তের তরে,
–
বলি কেন মানুষ তারে,কেন?
নবীনরা এসো সমাজ পাল্টাও
বুঝিয়ে দাও এ রেওয়াজ মনুষ্যত্ব দেখায় না
–
দেখায় শুধু উঁচু-নিচুর ভেদাভেদ।
–
কবর দাও এ দান দক্ষিণা,
–
যা দিয়ে হয় ধনী-গরীব বৈষম্যের আলোচনা।
সরাও ভেদাভেদ হয়ে যাও মনুষ্যত্বের পাত্র।
–
বৈষম্য নামক শব্দটা কল্পনায় যেন থাকে মাত্র।
★ সাম্প্রতিক সময়ে মানুষ হয়ে মানুষের উপর অনিয়ম, নির্যাতন দিনকে দিন বেড়েই যাচ্ছে তারই
প্রতিবাদের অংশ হিসেবে “বৈষম্য কেন” কবিতাটি লিখেছেন নবীন কবি –
মোঃ আকরাম হুসাইন(বাবু)
নজিপুর সরকারি কলেজ,পত্নীতলা,নওগাঁ













