আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে লালন উৎসব।

0
81

মোঃ শামীম খন্দকার,কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

ফকির লালন শাহের মাজার কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলায় অবস্থিত। লালন শাহ এই কুমারখালি উপজেলার ছেউড়িয়াতে তিনি তাঁর শিষ্যদের নীতি ও আধ্যাত্মিক শিক্ষা দিতেন। তিনি প্রতি শীতকালে আখড়ায় একটি মহোৎসব আয়োজন করতেন। যেখানে সহস্রাধিক শিষ্য একত্রিত হতেন, এবং সেখানে সংগীত ও আলোচনা হত। লালন শাহের মৃত্যুর পর এই স্থানটিতেই সমাহিত করা হয়। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর সমাধি স্থলেই এক মিলন ক্ষেত্র বা আখড়া গড়ে ওঠে। এই সমাধি ঘিরে রয়েছে তাঁর শিষ্যদের সারি সারি কবর। ফকির লালন শাহের শিষ্য এবং দেশ বিদেশের অগনিত বাউলকুল এই আখড়াতেই বিশেষ তিথিতে সমবেত হয়ে উৎসবে মেতে উঠে লালন মেলা।

প্রতিবছর দুইবার লালন মেলা অনুষ্ঠিত হয়। একবার দোল পূর্ণিমা উৎসবের সময় (এ বছর ৪ মার্চ থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত) এবং আরেকবার বাংলা কার্তিক মাসের ১ তারিখ (অক্টোবর মাসের ১৬ তারিখ) লালন আখড়ায় বিশাল লালন মেলা হয়। লালন মেলায় সারা দেশ থেকে তাঁর শিষ্যদের আগমন ঘটে। রাতভর চলে বাউল গানের উৎসব। এই উপলক্ষে মাজারকে সাজানো হয় রঙ্গিন করে। আলোকসজ্জা, তোরণ নির্মান ও বিশাল ছামিয়ানা টাঙিয়ে দেওয়া হয়। সেই সাথে থাকে গ্রামীন মেলার আয়োজন। লালন মেলা উপলক্ষে দেশ বিদেশের অনেক দর্শনার্থীর আগমন ঘটে।


আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে লালন উৎসব।

Share this news as a Photo Card

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here