
মোঃ রোকনুজ্জামান রোকন,কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে ভূরুঙ্গামারী থানাকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে মুক্ত রাখতে সহযোগিতা কামনা করেছেন।মাদক একটা ভয়াবহ মরণ ফাঁদ,এই ফাঁদে যেন এলাকার উঠতি বয়সের যুবকেরা পা না দেয় সেই বিষয়ে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।ভুরুঙ্গামারী উপজেলাবাসীর বৃহৎ স্বার্থে এবং সম্ভাবনায় তরুন প্রজন্মকে বাঁচাতে প্রত্যেক এলাকার মাদক ব্যবসার সাথে যুক্ত ব্যক্তি ও তাদের আশ্রয়দাতাসহ মাদক সেবীদের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে ভুরুঙ্গামারী থানা পুলিশকে সহযোগীতা করার আহ্বান জানান।
এই উপজেলার নয়টি (০৯) ইউনিয়ন এর মধ্যে ৬নং জয়মনিরহাট ইউনিয়নকে এক নাম্বার চোরাচালান কারি মাদক ব্যবসায়ি হিসাবে চিন্তিত করা হয়েছে।
যুব সমাজ থেকে শুরু করে ফেনসিডি, হিরোয়িন, গাজা ইয়াবাসহ মাদকে আসক্ত। মাদকের মাধ্যমে একটি দেশ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট। আমরা যদি মাদক নির্মূলে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে না পারি, তাহলে আমাদের ভবিষ্যত ধ্বংস হয়ে যাবে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা যে সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন সেটা আমাদের জন্য হুমকিস্বরূপ হয়ে দাঁড়াবে। ওসি বলেন,মরণ নেশার ট্যাবলেট ইয়াবা, গাজ,হিরোহীন, মাদক বিরোধী অভিযানে তৎপর ভুরুঙ্গামারী থানা পুলিশ। আপনারা দিয়ে আমাকে সহযোগিতা করবেন, আপনাদের জন্য আইনি সেবার আমার দরজা সব সময় খোলা থাকবে। ভুরুঙ্গামারী উপজেলার প্রতিটি ঘরে ঘরে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। ইয়াবা কেবল একজন বা একটি পরিবারকে ধ্বংস করছে না, ধ্বংস করছে গোটা জাতি এবং দেশকে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরো বলেন, বাল্য বিবাহ, জঙ্গীবাদ পতিতা বৃত্তি সহ অন্যান্য অপরাধ জনক কাজ থেকেও বিরত থাকার আহবান জানান।কেবল পুলিশ দিয়ে সমাজ থেকে মাদকের প্রবণতা দূর করা সম্ভব নয়, এজন্য সমাজের সর্বস্তরের সচেতন নাগরিকদের মাদকের বিরুদ্ধে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে খেলাধূলা, শিল্প-সংস্কৃতির কাজে মনোনিবেশ রাখতে হবে। আমরা মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করছি, আপনাদের সকলের আন্তরিক সহযোগীতায় ভুরুঙ্গামারী উপজেলাকে অচিরেই মাদক মুক্ত করবো ইনশাআল্লাহ।











