
মোঃ শামীম খন্দকার,কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীকে অক্সিজেন লাগাতে দেরি হওয়ায় রোগীর স্বজনদের বিরুদ্ধে কর্তব্যরত নার্সকে মারপিট করার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। এতে ওই নার্সের বাম হাতের কনুইয়ের হাড় সরে গিয়েছে বলে জানা যায়।
শনিবার (৩ মে) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে এঘটনা ঘটে। আহত নাসের নাম মোছাঃ রিক্তা খাতুন (৩৫)। তিনি বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আর অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মোঃ আল-আমিন। তিনি কুমারখালী পৌরসভার শেরকান্দি এলাকার বাসিন্দা। তবে মারপিটের অভিযোগ অস্বীকার করে মোঃ আল-আমিন বলেন, তার স্ত্রী সুমাইয়া (২৮) নিজ বাড়িতে হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়লে, তিনি তাকে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন। কর্মরত চিকিৎসক তার স্ত্রীকে দ্রুত অক্সিজেন দিতে বলেন। কিন্তু হাসপাতালের নার্স দ্রুত অক্সিজেন না দিয়ে, অলস বসে থাকে। এবং আড্ডা দিতে থাকেন। পরবর্তী রোগীর স্বামী আল-আমিন আবার ও অক্সিজেন লাগাতে বললে, নার্স ক্ষিপ্ত হয়ে যান। এসময় নার্সদের সাথে কথাকাটির এক পর্যায়ে ধাক্কাধাক্কি হয়। কিন্তু রোগীর স্বামী আল-আমিন বলেন আমি কাউকে মারেনি। জানতে চাইলে আহত নার্স মোছাঃ রিক্তা খাতুন বলেন, তিনি খুব অসুস্থ। তিনি এখন কারো সাথে কোনো কথা বলতে চায়না। এই বিষয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাধীন রোগীদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, কুমাখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টাফ ও নার্সদের সঙ্গে প্রায় ই রোগীর সঙ্গে থাকা আত্বিয় স্বজন দের বাগ-বিদন্ড কথা কাটা কাটি ও মারামারি পজ্যন্ত করতে হচ্ছে, কারণ নার্সদের অবহেলায় অনেক সময় স্বাভাবিক রোগী ও অস্বাভাবিক হয়ে যায়। কাঙ্ক্ষিত সময়ে সেবা মেলেনা একটি ইনজেকশন নেয়ার জন্য নার্স দের পিছনে কমপক্ষে আধা ঘন্টা ঘুরতে হয়। মুখের ভাষা ও তাদের ঠিক নাই। সরকারি কোনো ঔষধ ঠিক মত মেলেনা বেশির ভাগই কিনতে হয়। দিনে দুই বার ডক্টর আসলেও একটি রোগীকে এক মিনিট সময় ও দেননা, ভর্তি রোগী জরুরি বিভাগ থেকে কোনো সেবা নিতে গেলে ১০০ টাকা না দিলে সেবা মেলেনা । কয়েক মাস ধরে ঠিক মত পানি নাই, বাথরুম এর অবস্থা নাই বললেই চলে কারেন্ট না থাকলে জেনারেটর থাকা সত্বেও কোনো সার্ভিস পাওয়া যায়না।













