
মর্তুজা শোয়েব,বিশেষ প্রতিনিধি দুমকি পটুয়াখালী
পটুয়াখালী দুমকি উপজেলার দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জলিশা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় ও জলিশা তালুকদার ইসলামিয়া স্বতন্ত্র ইফতেদায়ি মাদ্রারাসা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের একমাত্র রাস্তার বেহাল দশা।
আংগারিয়া ইউনিয়নের ৭ এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ২০০৫ সালে জলিশা তালুকদার ইসলামিয়া স্বতন্ত্র ইফতেদায়ি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। এবং দুমকি উপজেলায় একমাত্র বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জলিশা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এ দুই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার গুনগত মান ভালো হওয়ায় ওই দুই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা প্রায় ৫ শতাধিক।
বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য দুমকি উপজেলার টি এন্ডটি সড়ক থেকে পাতাবুনিয়া ভায়া মিরাবাড়ি পুল থেকে মোঃ মশিউর রহমান সহিদ মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৯০০ মিটার রাস্তা হেরিং বোন দ্বারা পাকা করা হয়।
কিন্তু রাস্তাটি বিভিন্ন যায়গায় ইট না থাকায় এতে করে রাস্তাটি দিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
একই অবস্থা দাঁড়িয়েছে দুমকি উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের জলিশা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে যাতায়াতের একমাত্র হেরিং বোন রাস্তাটির। সড়ক বিভাগের মিরাবাড়ি পুল -সহিদ মেম্বার বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৯০০ মিটার রাস্তাটির হেরিংবোনের ইট উঠে গিয়ে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের চলাচলে দুর্ভোগে পরতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে জলিশা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সৈয়দ আতিকুল ইসলাম বলেন,পটুয়াখালী ১ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট মোঃ শাহজাহান মিয়া ২০১৮ সালে আমাদের প্রতিষ্ঠানে এসেছিল তিনি বলে গেছেন রাস্তাটি করে দিবেন অদ্যবধি এখন পর্যন্ত রাস্তাটি করে দেয়নি।
জলিশা তালুকদার ইসলামিয়া স্বতন্ত্র ইফতেদায়ি মাদ্রারাসার প্রধান শিক্ষক আবু মুছা জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে।
রিক্সা চালক মোঃ মনির হোসেন বলেন, অনেক কষ্ট করে গাড়ি নিয়ে যেতে হয় আমি দ্রুত রাস্তাটি সংস্কারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
স্থানীয় আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম মর্তুজা বলেন, ‘রাস্তাটি সংস্কারের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করি, দ্রুতই সংস্কার কাজ করা হবে।’
এ ব্যাপারে দুমকি উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মো. আজিজুল হক বলেন, ‘সোলিং রাস্তার সংস্কার কাজ মূলত স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ এবং উপজেলা পরিষদ থেকে করে। তবে রাস্তার যে বেহাল অবস্থার কথা শুনেছি, তাতে রাস্তাটি পাকাকরণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বলা হবে।













