
শাহানাজ ইসলাম পুতুল
নরসিংদীর রায়পুরা রহিমাবাদ গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে এক কলেজ পড়ুয়া কিশোর’কে কুপিয়ে জখম। স্বজন বিলকিস বেগম কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন হামলার শিকার ব্রেন স্ট্রোক রোগী এ নারী। প্রতিবেশী যুবক ইমরান মিয়ার নেতৃত্বে তাকে মারধরসহ বাড়িতে ভাঙচুর এবং উৎসব’কে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে।
গেল ১৫ নভেম্বর নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার রহিমাবাদে পূর্বশত্রতার জেরে পিতা মোবারক হোসেন মাতা মোমেনা বেগমের একমাত্র ছেলে আদিত্য হাসান উৎসবের নামে এক কিশোরকে ধারালো ছুরি বা চাপাতি দিয়ে বাম চোখের উপরে কুপ দিয়ে জখম করেন ইমরান ও তার লোকজন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনার রেশ ধরেই পরদিন (১৬ নভেম্বর) ইমরান নরসিংদী থেকে ১০/১৫ জন ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী ও পরিবারের লোকজন নিয়ে আহত উৎসবের নানা বাচ্চু মিয়া ও তার ভাই সাহাজ উদ্দিনের বাড়িতে ভাঙচুর করে। বসতঘর থেকে লুটপাট করে ঘরে থাকা ২ লক্ষ টাকা স্বর্গ অলংকার নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। এ সময় সাহাজ উদ্দিনের অসুস্থ স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যদের মারধর করেন ইমরান ও তার পরিবারের লোকজন এবং ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা।
এ ঘটনায় রায়পুরা থানায় অভিযুক্ত যুবক ইমরান ও তার বাবা ফাইজু মিয়া, মা হেলেনা আক্তার, বোন তামান্না আক্তারের ও অজ্ঞাতনামা বিরুদ্ধে অভিযোগ দেন আহত উৎসবের মা মোমেনা বেগম।
সন্তান ও স্বজনদের ওপর হামলা ও বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবি করেন মোমেনা বেগম।
অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত ইমরানের মা হেলেনা বলেন, রাতে একা পেয়ে তার ছেলেকে মারধর করেন প্রতিপক্ষ।













