
মোঃ মনিরুল ইসলাম খান,নিজস্ব প্রতিনিধি ময়মনসিংহ
গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ ইং রোজ রবিবার রাত ১০ ঘটিকায়, শ্যামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের আইসিটি শিক্ষক গোবিন্দ বনিক স্যারের জন্মদিন উপলক্ষে কেককাটার আয়োজন করে, শ্যামগঞ্জ প্রেসক্লাব। শ্যামগঞ্জ প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে উক্ত কেককাটা অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
শ্যামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ আল ইমরান ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুল ইসলাম খান এর আয়োজনে, উক্ত অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ শাহিন মিয়া, শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনস্পেক্টর (ইনচার্জ) মোঃ আশরাফুল ইসলাম, মনাটি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কামরুজ্জামান কামরুল মাস্টার, মনাটি দড়ি পাড়া স প্রাবি এর সহকারী শিক্ষক মোঃ আব্দুল মান্নান মাষ্টার , মনাটি উচ্চ বিদ্যালয় ধর্মীয় শিক্ষক মোঃ হায়দার আলী, মোঃ সবুজ ফকির, মোঃ মোতালেব এবং শ্যামগঞ্জ প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশিক উজ জামান আশিক, কোষাধ্যক্ষ সাখাওয়াত হোসেন, সদস্য মোঃ মহসিন।
গোবিন্দ বনিক স্যার শ্যামগঞ্জ বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ এবং একজন সামাজিক সংগঠক। তিনি গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদ্য সাবেক কমিটির সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক। শ্যামগঞ্জ বাজারের যেকোনো দুর্যোগ মোকাবেলায় তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন।
শ্যামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও জাতীয় “দৈনিক ভোরের ডাকের গৌরীপুর এর প্রতিনিধি মোঃ আল ইমরান বলেন, “আমাদের প্রেসক্লাবের কয়েকজন সদস্য গোবিন্দ স্যারের ছাত্র, এছাড়া তিনি শ্যামগঞ্জের প্রয়োজনে সবসময় পাশে থাকেন। শ্যামগঞ্জে যেকোনো ভালো কাজে তিনি অনুপেরণা দেন। এমন একজন ব্যক্তিত্বের জন্মদিন পালন করা আমাদের মনে শান্তি দেয়। তাই আমাদের প্রেসক্লাব উনার জন্মদিন পালন করার চিন্তা মাথায় নেয়। কিন্তু উনি পারিবারিক কারণে এলাকার বাইরে থাকায়, কেককাটা অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তার পরেও আমরা উনার জন্মদিন পালন করেছি।”
শ্যামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুল ইসলাম খান বলেন, “গোবিন্দ বনিক স্যার আমার খুব প্রিয় একজন মানুষ। আমি কয়েকটা সামাজিক সংগঠনের সাথে কাজ করেছি, যেখানে গোবিন্দ বনিক স্যার আমাদের সর্বোচ্চ সাপোর্টে করেছে। উনার মতো একজন ভালো মানুষ আজকাল পাওয়া কঠিন। ভালো কাজে উনার অনুপেরণা আমাদের সাহস যোগায়। আজকাল ভালো কিছু করতে গেলে সমাজের কিছু মানুষ নানানভাবে সমালোচনা করে। উনি আমাদের শিখিয়েছেন, ভালো কাজ করতে গেলে সমালোচনা আসবেই, কিন্তু সমালোচনাকে কানে না নিয়ে নিজের নীতিতে অটুট থেকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। শ্যামগঞ্জের বেশকয়েকটা দুর্যোগে আমি উনাকে কাছ থেকে দেখেছি, তিনি মানুষের বিপদে নিজেকে বিলিয়ে দেন। করোনাকালীন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে ছিলেন তিনি৷ বন্যাসহ বিভিন্ন দুর্যোগে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ত্রাশ সহায়তা নিয়ে কাজ করেন তিনি। উনার মতো একজন স্যার পেয়ে আমি গর্বিত। উনার কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।”













