কুষ্টিয়ায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় একজন নিহত

0
73

বিশেষ প্রতিনিধি কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়া-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকের হামলায় আহত নৌকার সমর্থক জিয়ার হোসেন (৪৫) ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ সোমবার বিকেল ৫টায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ কান্তি নাথ।

গত শুক্রবার সকালে কয়া ইউনিয়নের বেড় কালোয়া মোড়ে তার ওপর হামলা করে প্রতিপক্ষ। সেসময় জিয়ার ও তার ভাই আলতাফ হোসেন (৫০) আহত হন। তাদেরকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খারাপভাবে হাড় ভেঙে যাওয়ায় জিয়ারকে পরে ঢাকায় পঙ্গু হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকেল ৫টায় তার মৃত্যু হয়েছে। আর তার ভাই আলতাফ চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফিরে গেছেন। তারা কালোয়া গ্রামের মৃত কেঁদো শেখের ছেলে।

এ ঘটনায় কুষ্টিয়া-৪ আসনের নৌকার পরাজিত প্রার্থী সেলিম আলতাফ জর্জের লোকজন দাবি করেছেন জিয়ারসহ তার ভাইকে গুলি করা হয়। সেলিম আলতাফ জর্জের সহকারী যুবলীগ নেতা জহুরুল ইসলাম তাজু বলেন, প্রতিপক্ষ বিজয়ী ট্রাক প্রতীকের সমর্থকরা নৌকায় ভোট দেয়ায় তাদের দুই ভাইকে গুলি করে।

এদিকে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ কান্তি নাথ বলেছেন, চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন তাদের শরীরে গুলির কোন আলামত পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, পুলিশ তদন্তে নিশ্চিত হয়েছে নদীর পাড়ে পিলারের ওপর রেখে হকিস্টিক দিয়ে পিটিয়ে ভেঙ্গে দেয়া হয় জিয়ারের পা।

তিনি বলেন, কয়ায় বর্তমান ও সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। তাই তারা নৌকা ও ট্রাকের হয়ে কাজ করেছে। আর জিয়ার বর্তমান চেয়ারম্যানের সমর্থক। তার প্রতিপক্ষ ভোটের পর পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই এ হামলা চালিয়েছে।

নিহত হওয়ার খবরে কয়া এলাকায় আবার উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লুটপাট ভাঙচুরের আশঙ্কায় অনেকে মালামাল সরিয়ে নিচ্ছিল। পুলিশ তাদের সাহস দিচ্ছে বলেন কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ কান্তি নাথ।


কুষ্টিয়ায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় একজন নিহত

Share this news as a Photo Card

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here