
আরিফুল ইসলাম,ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
কুষ্টিয়া ভেড়ামারায় ডাকঘর রোডস্থ কলেজ পাড়ায় মাটির পার্শ্ব ভাঙ্গন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না নিয়েই চলছে বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ, এতে ভেঙে পড়েছে এক মুক্তিযোদ্ধার সীমানা প্রাচীর। এবং হুমকির মুখে পড়েছে সদ্য সমাপ্তকৃত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার “বীর নিবাস”।
পৌরসভার ডাকঘর রোডে স্থায়ী বসবাসকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফার বাড়ির দক্ষিন পাশে প্রতিবেশী মৃত আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী বহুতল ভবন নির্মাণ করার কাজ শুরু করেন,ভবনটিতে গভীর ভিত্তি হিসাবে আরসিসি পাইল ব্যবহার করা হয়,পাইলিং শেষে স্কেভেটর দিয়ে প্রায় ৮-১০ ফিট মাটি খনেনের কাজ করানো হয়
কিন্তু প্রতিবেশী বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফার সীমানায় কোন প্রকার মাটির পার্শ্ব ভাঙ্গন এর ব্যবস্থা না নিয়েই আন্ডারগ্রাউন্ড এর কাজের জন্য সীমানা বরাবর পুরো জায়গা নিয়েই মাটি খননের কাজ শুরু করেন উক্ত নির্মাণাধীন ভবনের মালিক। এতে প্রতিবেশী বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফার সীমানা প্রাচীরের নিচ থেকে মাটি ভেঙে সরে যায় এবং প্রাচীর এ ফাটল ধরে, এবং আজ ৪ মার্চ সকালে সীমানা প্রাচীর টি ভেঙে পড়ে।
এভাবে কাজ চলমান থাকলে তবে মুক্তিযোদ্ধাদের দেয়া বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার সদ্য সমাপ্তকৃত “বীর নিবাস” ভেঙে পড়বে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা বলেন সে আমাকে কাজের আগে সীমানা প্রাচীর ভেঙে দিয়ে পরে পুনরায় নির্মাণ করার কথা বলে এতে আমি রাজি হয়নি বলে পরিকল্পিত ভাবে এটা করেছে। তার জায়গায় সে ভবন নির্মাণ করতে আমার কোন প্রকার আপত্তি নেই কিন্তু আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে কাজ করার সুযোগ নেই, বাংলাদেশ আমাদের হাত ধরেই স্বাধীনতা অর্জন করে,যার যা ইচ্ছা তা করার সুযোগ এদেশে নেই।
তিনি আরো বলেন কাজ শুরুর পূর্বে তাকে মৌখিক ভাবে মাটি সুরক্ষার জন্য ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করার জন্য বলা হয় কিন্ত তিনি ব্যবস্থা না নিয়েই এক প্রকার জোর করেই ভিত্তির মাটি খননের কাজ শুরু করেন, সীমানা প্রাচীর ভেঙে পড়ার আগে আমি লিখিতভাবে পৌরসভার মেয়র বরাবর অভিযোগ দিয়েছি তারপর ও সে নিমান কাজ চলমান রেখেছে,কিন্তু এখন প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার বীর নিবাস হুমকির মুখে।
তিনি মেয়র, উপজেলা প্রশাসনসহ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ভেড়ামারা উপজেলা কমান্ড এর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করে সহোযোগিতা চেয়েছেন।












