
ছৈয়দুল আমিন সাঈদ,কক্সবাজার (জেলা) প্রতিনিধি
কক্সবাজার কলাতলীতে হোটেল মোটেল জোনে অনিয়ন্ত্রিত ভাবে পতিতালয়কে আধুনিক করে এখন নাম রাখা হয়েছে স্পা, কোন ধরনের নিয়মকানুন না মেনে নামে বেনামে গড়ে উঠেছে শতাধিক স্পা, মুলত কিছু প্রভাবশালী সেন্ডিকেট ও তথাকথিত কিছু নামধারী সাংবাদিক ভিন্ন কায়দায় পতিতালয়কে চলমান রাখার জন্য মুলত এই স্পার গুলোর সুত্র পাত বলে জানা যায়।
অবৈধ অনিয়ন্ত্রিত স্পা গুলোর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ও রয়েছে তাদের নেতৃত্বে কক্সবাজার কলাতলীর বিভিন্ন পয়েন্ট দালাল ও মজুদ রাখা হয়েছে যে দালাল গুলো আগত পর্যটককে টাগেট করে নিয়ে আছে সেই স্পা গুলোতে পরে মেসেজ করার নাম দিয়ে মোটা অংকের টাকা আদায় করা হয়, বিভিন্ন ভাবে পর্যটক হয়রানি থেকে শুরু করে ব্লেকম্যল করা হয়।
বিভিন্ন সময় এসব অবৈধ ও অনিয়ন্ত্রিত স্পা গুলোর বিরুদ্ধে ট্যুরিস্ট পুলিশের উদ্যোগে একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করে অসংখ্য রোহিঙ্গা নারী সহ পর্যটক হয়রানি, পর্যটক ব্লেকম্যাল থেকে শুরু স্পার নামে অবৈধ কার্যকলাপে জড়িত থাকা অনেক অপরাধী কে আটক করা হয়।
এর পরেও কিছু অপরাধী প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এসব অবৈধ কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় স্পা গুলোতে পতিতার হার্ট যেখানে দেখা মিলে রোহিঙ্গা নারীদের, স্পা কোন কার্যকম দেখা না গেলও ঠিকই দেখা যায় পতিতার দৃশ্য। যেখানে নেই কোন ধরনের রেজিষ্ট্রার, নিদির্ষ্ট কোন ম্যানাজার বা কর্মচারি, একেকদিন একেক ধরনের ম্যানেজার, অদৃশ্য স্পার মালিক, হরেক রকম কাজকর্ম, দেখা সেই স্পা গুলোতে স্পার নামে যেভাবে চালিয়ে যাচ্ছে পতিতার ব্যবসা ও মাদকের ছড়াছড়ি।
বিশেষ সুত্রে জানা যায়, এই স্পা গুলোর সাথে স্হানীয় কিছু প্রভাবশালী সিন্ডিকেট ও তথাকতিত কিছু সাংবাদিক নামধারী মুল যোগানদাতা হিসেবে জড়িত আছে বলে জানা যায়।
গোপন সুত্রে জানা যায়, সাংবাদিক নামধারী নুরু প্রকাশ বার্মায়া নুরু সেই স্পা গুলোতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গা নারী এনে স্পাতে সাপ্লাই দেয় বলে জানা গেছে, পাশাপাশি স্পা গুলোতে থেকে আদায় করা হয় মোটা অংকের টাকা।
এসব অবৈধ স্পা গুলোর বিরুদ্ধে নিউজ করলে আসে নানা ধরনের হুমকি এবং নামধারী তথাকথিত কিছু সাংবাদিকদের আবদার আসে বড় বড় মুলত তারা স্পা গুলো থেকে বিভিন্ন উপায়ে সুবিধা ভোগ করে থাকে বলে জানা যায়।
পর্যটন নগরীর কক্সবাজারের সচেতন ব্যবসায়ী ও সচেতন মহলের দাবি অনিয়ন্ত্রিত ভাবে গড়ে উঠা স্পা গুলোর কর্যকম এভাবেই চলতে থাকলে যুব সমাজ ও পর্যটক হয়রানি এবং অপহরণ বাড়বে, এসব অনিয়ন্ত্রিত স্পা গুলোর বিরুদ্ধে যদি প্রসাশন দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ না করে তাহলে পর্যটন শিল্প ও কক্সবাজার সুনাম ক্ষুন্ন হবে বলে মনে করেন তারা।













