দৈনিক ২৬৭ টাকা বেতন নিয়ে নিজেকে ধনী দাবি করা, অনুসন্ধানে যা বেরিয়ে আসল

প্রসেনজিত বড়ুয়া, উখিয়া কক্সবাজার প্রতিনিধি:

নিরবে প্রায় একসপ্তাহের দৈনিক একুশে নিউজের অনুসন্ধানে যা বেরিয়ে আসল। বিশেষ সূত্রে জানা যায় তার ( প্রতিবেদকের রক্ষার্থে তার নাম উল্লেখ করা হয় নাই ) দৈনিক বেতন ২৬৭ টাকা কিন্তু তার দাবি তিনি ধনী, সম্প্রতি এই ঘটনা নিয়ে অনুসন্ধান করা হলে জানা যায় তার দাবি সম্পন্ন মিথ্যা মজার বিষয় হল তিনি এই কথাটা বলার কারণ কাউকে খুশি করা এবং সেই সুবাদে মুখে যেটা আসছে সেটা বলে দিয়েছে।

আর জানা গেছে তিনি মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে নিজেকে কাকতালীয় ভাবে অন্য জনের কাছে নিজেকে একটু বড় করার জন্যই এই মিথ্যা আশ্রয়টা নিয়েছে, সত্য ঘটনা হলো তার দৈনিক বেতন ঠিকই ২৬৭ টাকা, বেতনের টাকা ছাড়া তিনি অন্য কোন টাকা পাই না। সবচেয়ে বড় বিষয় হল এই ঘটনা নিয়ে সাংবাদিক-ও অবগত আছে, যদি দরকার হয় আইনের সাহায্যের মাধ্যমে তার প্রতি নজর রাখা হবে প্রয়োজন বুঝে কোন রকম বেআইনি সূত্র পাওয়া গেলে আইনকে অবগত করা হবে নিশ্চয়ই।

অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে তিনি অতীতে-ও মিথ্যা আশ্রয় নিয়ে একজনের কাছে আরেকজনকে খারাপ বানিয়ে দেই নানান মিথ্যা কথা বলে, তার এই মিথ্যা কথা গুলো সত্যিতে রূপান্তর করতে তিনি ব্যবহার করেন নানান রকম প্রায় কয়েকজন মানুষকে তাতে যদি তার গোটা মাসের বেতনও চলে যায় তাতেও তিনি খুশি থাকেন কেননা তাতে তার মিথ্যা বলা কথাটা একটু হলেও ঠিকে যাওয়ার সম্ভাবনা বের হয় “অতীতের রেকর্ড থেকে পাওয়া গেছে” তিনি তার গোটা মাসের বেতন খরচ করেও তার বলা মিথ্যা কথা গুলো বেশিদিন টিকিয়ে রাখতে পারে না কিছুদিন পর আসল সত্য কথা গুলো বেরিয়ে আসে সবার মাঝে তাতে তার গোটা মাসের অল্প বেতন গুলোও চলে যায় ব্যর্থতার মধ্যে দিয়ে। তিনি এভাবেই চলতে চলতে থেকে গেছেন গরীব, তাকে গননা করা হয় না লাখের মাঝে-ও।

অনুসন্ধান করতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে “সাপের গর্ত থেকে বিড়াল” সবচেয়ে আশ্চর্যজনক ও মজার বিষয় হলো তিনি সহজে যেই কোন মেয়ে মানুষকে তার আয়ত্তে নিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন তাতে অধিকাংশ সময় তিনি সফল হন না, হলে-ও কয়েকদিনের মধ্যে সত্য ঘটনা জানলে তার আয়ত্তের থেকে বেরিয়ে যায় এইরকম ঘটেছে অহরহ এবং তিনি এমন ভাবে তাদের মাঝে তার মিথ্যা কথা গুলো পরিবেশন করেন তাতে যেই কেউই তার কথা গুলো বিশ্বাস করতে বাধ্য হয় কেননা তার গোটা মাসের অল্প বেতন গুলো দিয়ে তিনি বানিয়ে নেন কয়েকজন সাক্ষী আরও মজার বিষয় হলো তার কাছ থেকে টাকা গুলো খাওয়ার পরে তার বানানো সাক্ষী গুলোই আসল ঘটনা তুলে ধরে কিংবা বলে দেই জায়গা বরাবর।

সম্প্রতি চলতে থাকা, নিজেকে ধনী দাবি করা এসব তিনি যাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন মজার বিষয় হল সেই উদ্দেশ্যকারীর সম্পত্তি কিংবা জমানো টাকা কোথাও ধারে কাছে নেই সেই মিথ্যা বলা লোকটা। দৈনিক ২৬৭ টাকা বেতন ধারী মিথ্যা বলা লোকটার ব্যাংক একাউন্টে ১ টাকা-ও নাই ( শূন্য টাকা ) অথচ তিনি যাকে গরীব বলার চেষ্টা করেছেন তাদের ব্যাংক একাউন্টে পড়ে আছে ১৩ লক্ষ ৫ হাজার ৪০ টাকা + সম্পত্তি রয়েছে প্রায় ৯ খানির-ও বেশি এগুলো নিয়ে ধনী হওয়া যায় তা বলা হচ্ছে না এখানে কিন্তু সম্প্রতি এই দৈনিক ২৬৭ টাকা বেতন ধারী মিথ্যা বলা লোকটা যাকে গরীব বলার চেষ্টা করেছেন তিনি মিথ্যা বলা লোকটার চেয়েও অনেক অনেক এগিয়ে টাকা পয়সা কিংবা সম্পত্তির মাধ্যমে।

অনুসন্ধান সমাপ্ত হয় নাই নজর থাকবে আরও কিছুদিন, ক্যামেরার লেন্স সোজা থাকবে আর-ও কয়েক মাস।


দৈনিক ২৬৭ টাকা বেতন নিয়ে নিজেকে ধনী দাবি করা, অনুসন্ধানে যা বেরিয়ে আসল

Share this news as a Photo Card

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here