
তাছলিমা আক্তার,রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি:
রায়পুরা থানা মামলা নং ০৮ তারিখে ০৮/১১/২০২২ এর ১নং আসামী সুজন মিয়ার সাথে লাভলী বেগম (৩০)এর ১৩ বছর পূর্বে বিবাহ হয় এবং তাদের সংসারে ২টি মেয়ে সন্তান রয়েছে।গত ২ মাস পূর্বে সে বিদেশ থেকে বাংলাদেশ আসেন। সুজন মিয়ার ন্ত্রী লাভলী বেগম মোবাইলে অন্য ছেলের সাথে কথা বলত বলে সে আগে থেকেই লাভলীকে সন্দেহ করত।বাংলাদেশে আসার পর তার সন্দেহ আরো প্রবল হয়। এ বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ সৃষ্টি হয়। গত ৫ নভেম্বর ২০২২ দিবাগত রাতে তাদের স্বামী -ন্ত্রীর মধ্যে পরকিয়া নিয়ে ঝগড়া হলে এ পর্যায়ে আসামী সুজন মিয়া লাভলী বেগমকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে পালিয়ে যায়।লাভলী বেগমের হত্যাকান্ডের অন্যতম প্রধান আসামী সুজন মিয়া (৩৫),পিতা মজিবর, সাং – মামুদপুরকে রায়পুরা থানা পুলিশ গত ০৭/১১/২০২২ তারিখে ফরিদপুর জেলার সদরপুর থানার আটরশি দরবার শরীফ এর পাশ থেকে গ্রেপ্তার পূর্বক গত ৮ নভেম্বর ২০২২,পাচঁ দিনের রিমান্ডের আবেদনসহ বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করে। বিজ্ঞ আদালত ২ দিনের রিমান্ড মন্জুর করলে রায়পুরা থানা পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হাজতে নিয়ে আসেন।
অদ্য ০৯/১১/২০২২ তারিখ আসামী সুজন মিয়া সকাল আনুমানিক ৯.৫০ ঘটিকায় রায়পুরা থানা হাজতের ওয়াশরুমের ভিতরে জানালার রডের সাথে নিজের শার্ট দিয়ে গলায় ফাস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। পরবর্তীতে তাকে দ্রুত রায়পুরা থানা পুলিশ উদ্বার করে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্রেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
উল্লেখিত বিষয় বিস্তারিত অনুসন্ধানের নিমিত্তে জেলা পুলিশ নরসিংদী কতৃক ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্হিতে উক্ত মৃতদেহের সুরতহাল করা হচ্ছে। রায়পুরা থানা পুলিশ কতৃক আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন












