
কাজী মাহতাব উদ্দিন,পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:
পটুয়াখালী- মির্জাগঞ্জ যাতায়াতের একমাত্র নদীপথের মাধ্যম পায়রা নদীর পাড়ে অবিস্থত পায়রাকুঞ্জ খেয়া ঘাট।
যে পথে দৈনিক পারাপার হয় কয়েক হাজার মানুষ। বর্তমানে যাত্রী প্রতি সরকারি ইজারার বাইরে গলাকাটা ভাড়া আদায় করছেন ইজারাদার। এদিকে এমন অনিয়ম বন্ধে প্রশাসনের কোনো উদ্যোগ না থাকায় ইজারাদারদের শুধু পকেট ভারী হচ্ছে। তবে প্রিতি নিয়ত নানা ভাবে যাত্রীরা হয়রানির শিকার হচ্ছে।
যাত্রীদের দাবি বিকাল পাঁচ টার পরেই নৈরাজ্যের মহোৎসব বাড়ে ওই খেয়াঘাটে। এতে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে যাত্রীদের মধ্যে। প্রতিবাদ করলে হতে হয় লাঞ্চিত।
জেলা পরিষদ কর্তৃক ভাড়া আদায়ের চার্ট থাকার পরও নিধারিত ভাড়া আদায় করছেন না ইজারাদার। ভাড়ার চার্টে উল্লেখ আছে জনপ্রতি ১৫ টাকা ভাড়া কিন্তুু সেখানে জনপ্রতি আদায় করা হয় ৩০-৪০ টাকা চালক সহ মটর সাইকেল ৩০ টাকা উল্লেখ থাকলেও আদায় করা হয় ১০০-২০০ টাকা কারও হাতে ব্যাগ বা বস্তা থাকলেও গুনতে হয় শত-শত টাকা। রাত যখন গভীর হয় তখন ভাড়ার বদলে আদায় করা হয় এক ধরনের চাঁদা। একজন লোক পার হলেও ভাড়ার নামে চাঁদা গুনতে হয় ১০০০ টাকা। খেয়াঘাটের ইজারাদার মিজানুর রহমান বলেন, তেমন বেশি ভাড়া নেইনা। তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে সামান্য কিছু টাকা বেশি নিচ্ছি। পটুয়াখালী জেলা পরিষদে বর্তমান চেয়ারম্যান অ্যাড. হাফিজুর রহমান (হাফিজ) দৈনিক একুশে নিউজকে বলেন, কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতিবাজদের আমি প্রশ্রয় দেবনা। ইতোমধ্যে পায়রাকুঞ্জ খেয়াঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের ব্যাপারে একাধিক অভিযোগ পেয়েছি। খুব শিগগিরই সরেজমিন পরিদর্শন করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সত্যতা পেলে ইজারাদারের ইজারা বাতিল করা হবে।












