
লেখক: সাংবাদিক মোঃ দুলাল হোসেন
কারণে অকারণে কত দিয়েছি ডাক
কখনো তুমি একটুও করনি রাগ,
আজ কোন কারণে রাগ হয়ে
চলে গেছ ঐ দূর অজানায়,
সেখানে রয়েছে তুমি একা
হয়ত এ জীবনে আর হবে না দেখা!
অন্ধকার ছোট একটা মেঠো রুম
যেখানে দিয়েছ তুমি চিরতরে ঘুম!
ছোট তোমার ঐ মেঠো ঘর
ওখানে সবাই পর
অধুনা এত প্রযুক্তি থাকা স্বত্বেও
নিতে পারি না তোমার খোঁজ
প্রার্থনায় তোমাকে দোয়া করি রোজ।
প্রতিদিন সকাল সাঁঝে
ব্যস্ত থাকি দুনিয়াবী কত কাজে,
হয়ত অস্তিগুলো আছে ভাসমান মাটিতে
কবে যে তোমাকে ঐ রেখে এসেছি মাটির ঘাটিতে!
আজ তুমি কত দূরে,
তোমার কথা মনে পরলে
মাথা যায় মা ঘুরে!
কত মানুষ এখনও তোমায় করে মিস
জিজ্ঞাসা করে তোমার কথা
এসব শুনিলে বুক চিনচিন করে ব্যাথা!
তোমার চারিপাশে মাটির দেয়াল
উপরে একটা মাটির ছাদ,
জানি না কিভাবে তুমি হেতায়
কাটাওগো মা দিবা-রাত!
ঐ শ্বেত কাপড়খানি হয়ত জীর্ণ
হয়ে গেছে, মলিন হয়ে গেছে
হয়ত তোমার আখিদ্বয়!
তবুও তোমার গোরের মাটি
বুকে মাখি কর না মা কোন ভয়!
তুমি কত স্বপ্ন দেখে ছিলে
যে পথ দিয়ে চলেছিলে-
সে পথ এখনও তোমায় ভোলেনি
ভোলেনি ঐ নীল আকাশ
ভোলেনি তোমাকে ঐ প্রভাতের রবি
স্মৃতি হিসেবে রয়ে গেছে তোমার ছবি
আজ ঐ বিহঙ্গ তোমার গান গায়
তারা গানে বলে জগতের কেউ
এতটা ভালবাসেনা যতটা বাসে মায়!
তুমি বিহনে গৃহ মনে হয় কারাঘর,
তুমি বিনে জগতের সবাই যেন পর!
নিয়তির নির্মম পরিহাস,
হয়ত বাস্তবে দেখিতে পারিব না
তোমার ঐ মধুময় কায়া
স্বপ্নে দেখা দিওগো মা-
যদি থাকে মায়া!













