লোহাগড়ায় গরুতে ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে গৃহবধূকে মারপিটের অভিযোগ

0
140

খন্দকার ছদরুজ্জামান,নড়াইল জেলা প্রতিনিধি

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার চরকোটাকোল গ্রামের মোঃ জিল্লু বিশ্বাসের স্ত্রী মোসাঃ নারগিস বেগম বনো (৪৫)কে গালিগালাজ সহ লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করার অভিযোগ।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায় মোঃ জিল্লু বিশ্বাস (৫৫), পিতা-মৃত মানিক বিশ্বাস, সাং-চর কোটাকোল, থানা- লোহাগড়া, জেলা- নড়াইল। অভিযুক্তরা ব্যক্তিরা হলেন, ১) হান্নান চৌধুরী, পিতা- মৃত ওমেদ চৌধুরী, ২) মাসুদ চৌধুরী, পিতা- হান্নান চৌধুরী, ৩) মহাসিন চৌধুরী,
পিতা- মৃত হোসেন চৌধুরী, ৪) বেলা বেগম, স্বামী- মহসিন চৌধুরী, সর্ব সাং- চরকোটাকোল, থানা-লোহাগড়া, জেলা- নড়াইলদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করিতেছে যে, আসামীরা দাঙ্গাবাজ, লাঠিয়াল,জুলুমবাজ, সন্ত্রাসী ও খারাপ প্রকৃতির লোক হইতেছে। আসামিদের বাড়ি বাদীর বাড়ী একই মহল্লায়, মোঃ জিল্লু বিশ্বাস বলেন,আমার একটি দুধের জার্সি বাছুর বয়স ২মাস আসামীদের মাঠের জমির পাশে আইলের উপর নিয়ে ইং ৩০/০৩/২০২৩ তারিখ বিকাল ৫:০০ ঘটিকার সময় চলাফেরা করতেছিল। এই সময় আসামীগণ পারিবারিক ও বিভিন্ন বিষয় লইয়া পূর্ব শত্রুতার জের ধরিয়া আসামীরা আমার জার্সি বাছুর গরুকে এলোপাতাড়ি মারপিট করিতে থাকে। এই সময় বাছুর গরুটি দৌড়াইয়া আমাদের বাড়ীর ভিতরে চলে আসে। তখন আসামীরা বেআইনিভাবে আমার বসতবাড়ীতে অনাধিকার প্রবেশ করিয়া আমাদের নাম ধরিয়া অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে। এই সময় আমার স্ত্রী মোসাঃ নারগিস বেগম বনো (৪৫) তাদেরকে গালিগালাজ করিতে নিষেধ করিলে সকল আসামীরা আমার স্ত্রীর উপর ক্ষিপ্ত হইয়া তাকে লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নিলাফোলা জখম করে। ১নং ও ২নং আসামী আমার স্ত্রীর মুখের উপর দুই চোখের নিচে ও মাথায় কিল, ঘুষি মারিয়া রক্তফোলা ছেড়া জখম করে। ৩নং ও ৪নং আসামী আমার স্ত্রীর বুকে পিঠে ও পায়ে লাথি মারিয়া আহত করে এবং পরনের কাপড় চোপড় টানা হেচড়া করিয়া শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করে। সকল আসামীরা আমার উক্ত বাছুর গরুকে জোরপূর্বক অন্যায়ভাবে আমার বাড়ী থেকে ধরে ১নং আসামীর বাড়ীতে লইয়া যায়। যাহার মূল্য অনুমান ৬০,০০০/- টাকা। এই সংবাদ শুনে আমি বাড়ীতে এসে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে আলাপ আলোচনা করিয়া উক্ত বাছুর গরু আসামীদের বাড়ীতে আনিতে গেলে গরু আমাদের কাছে না দিয়ে বরং আমাকে মারতে আসে এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখায়। অতঃপর স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় সেখান থেকে ফিরে এসে আমার স্ত্রীকে লইয়া ভ্যানযোগে লোহাগড়া সরকারি হাসপাতালে এনে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন।

আসামিরা দাঙ্গাবাজ হওয়ায় নিজের জীবন ও পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে লোহাগড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করার জন্য থানায় যোগাযোগ করি।

লোহাগড়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাছির উদ্দীন বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


লোহাগড়ায় গরুতে ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে গৃহবধূকে মারপিটের অভিযোগ

Share this news as a Photo Card

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here