
মোঃ আল ইমরান,স্টাফ রিপোটার নেত্রকোনা
সুধীর বড়ুয়া নেত্রকোণা জেলার শেষ শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর পূর্বধলা উপজেলার শ্যামগন্জ পুরাতন বাজার উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সামনের রাস্তায় পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে শহীদ হন।
পরে শ্যামগঞ্জ রেলওয়ে মাঠের উত্তরপাশে তাকে সমাহিত করা হয়। কেননা সে সময় মুক্তিযোদ্ধারা রেলওয়ে মাঠে অবস্থান নিয়েছিলেন। শিল্পী শাহতাব এর নকশায় শহীদ সুধীর বড়ুয়া স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। যা এখন ময়লার ভাগার!
পূর্বধলা উপজেলা তথা নেত্রকোণা জেলার শেষ শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সুধীর বড়ুয়া। তবে এই স্মৃতিসৌধটি রক্ষণাবেক্ষণ ও আধুনিকায়নে আমাদের অনিহা কেন? উত্তর হতে পারে, সুধীর বড়ুয়া শহীদ হয়েছেন নেত্রকোণার পূর্বধলা সীমানায়, আর সমাধি হয়েছে ময়মনসিংহের গৌরীপুর সীমানায়। তাই কোন জেলার কর্তৃ পক্ষই হয়তো আগ্রহ দেখান না এ বিষয়ে! কিন্তু এমন কি হওয়া উচিত? আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস সংরক্ষণ করে পরবর্তী প্রজন্মকে পৌঁছে দেওয়া কি আমাদের দায়িত্ব নয়? শ্যামগঞ্জ উদীচী শাখা, স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সাংস্কৃতিক কর্মী বিশেষ দিবস উপলক্ষ্যে প্রতিবছর কিছু অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সুধীর বড়ুয়া স্মৃতিসৌধে।
সুধীর বড়ুয়া ১৯৪০ সালে চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানাধীন আবুরখিল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা নীরেন্দ্র লাল বড়ুয়া মাতা মল্লিকা রানী বড়ুয়া চার ভাই তিন বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। তিনি ইপিআর সদস্য ছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধের ১১নং সেক্টরের একজন যুদ্ধা ছিলেন। তার বড় ভাই বোধিসত্ত্ব বড়ুয়াও একজন মুক্তিযোদ্ধা।












