
আব্দুল কাদির,গোয়াইনঘাট(সিলেট)প্রতিনিধি:
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার নন্দীরগাঁও ইউনিয়নের লামাপাড়া গ্রামে ৬ বছরের এক শিশুর রহস্যজনক মৃrewত্যু হয়েছে। শিশুটির মৃত্যু নিয়ে পিতামাতার কাছ থেকে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য পাওয়া গেছে।
গত ৩ দিন আগে নিখোঁজ হওয়া শিশু সামিউলের পিতা আব্দুল করিম বাদী হয়ে সালুটিকর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে একটি অভিযোগ করেন। তিনি শিশু সামিউলের মা ফরিদা বেগম ও সামিউলের ভাই মিজানকে অভিযুক্ত করেছেন।
অপরদিকে সামিউলের মা ফরিদা বেগম বাদী হয়ে সামিউলের পিতা আব্দুল করিম ও তার সতীনকে আসামী করে সালুটিকর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে পাল্টা অভিযোগ করেন।
পাল্টাপাল্টি অভিযোগের পর আজ ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১খ্রিষ্টাব্দ বুধবার সকালে আব্দুল করিমের বাড়ির পুকুরে শিশু সামিউলের লাশ পাওয়া যায়। পুকুরে সামিউলের লাশ পাওয়ার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন সালুটিকর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. শফিকুল ইসলাম খান, এসআই খালেদ মিয়া, এএসআই মহিউদ্দিন, মেহেরুলসহ সঙ্গীয় ফোর্স। তারা শিশু সামিউলের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন। মৃত সামিউল এর মা-বাবাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সালুটিকর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে বলে জানান, সালুটিকর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সফিকুল খান। মৃত শিশু সামিউল এর শরীরে কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন আছে বলে জানান তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ করিম ও তার স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে কয়েকবার স্থানীয়ভাবে সালিশ হয়েছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি বিচারাধীন অবস্থায় আছে। বিচারাধীন অবস্থায় আজ শিশু সামিউল এর লাশ পিতা আব্দুল করিমের পুকুরে পাওয়া যায়। এ নিয়ে এলাকায় চলছে অনেক জল্পনা-কল্পনা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকাবাসী হতভম্ব।এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা কেউ মেনে নিতে পারছেন না।
এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ পরিমল চন্দ্র দেব বলেন, লামাপাড়া গ্রামে সামিউল নামের ৬ বছরের একটি শিশুর লাশ পুকুরে পাওয়া গেছে। লাশটির সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছেন সালুটিকর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ টিম। তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।













