
যশোর জেলা প্রতিনিধি:
যশোররে শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়ায় আখি টাওয়ারের দ্বীতিয় তলায় আল মদিনা প্রাইভেট হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নাসরিন খাতুন (২০)নামে এক গৃহবধূর ভুল সিজারে মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (১৮সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার সময় সিজারে কন্যা সন্তান হয়। রুগীকে আশংকা জনক অবস্থায় বেলা ১১টার দিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে এ্যাম্বুলেন্সে মারা যায়। মৃত: গৃহবধূ ঝিকরগাছা উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়নের কুমরী গ্রামের রিপনের স্ত্রী।
মৃত্যু মেয়েটির মা জানায়, সকালে মেয়ের সিজার করা হয় আল মদিনা প্রাইভেট হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে।সিজারের পরে মেয়ে অবস্থা খারাপ হতে থাকে। দ্রুত সাতক্ষীরা নিয়ে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে মারা যায়।তারা টাকার লোভে, ভুল চিকিৎসার করণে আমার মেয়ে মারা গেছে ।
রিপন জানায়, ডাক্তারদের টাকার লোভে তাদের ভুল চিকিৎসার বলি হতে হলো আমার স্ত্রীকে, এ ঘটনার চিকিৎসক ডাঃ মমতাজ মজিদ মোবাইল ফোন রিসিভ করেনি। তিনি আরো বলেন, হাসপাতাল কতৃপক্ষের কাছে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলছে হার্ডে সমস্যা ছিল তাই এমন হয়েছে। তিনি আরো জানায় আগে সমস্যা ছিলনা, টাকার লোভে সিজার করে এখন মারা গেছে মিথ্যা কথা বলে হার্ডে সমস্যা বলছে। আমি স্ত্রীর মৃত্যুর সঠিক বিচার চাই।
সূত্রে জানা যায়, অপারেশনের সময় কোন অ্যানেসথেসিয়া বা অজ্ঞান করার ডাক্তার ছিলো না। অ্যানেসথেসিয়া ডাক্তার ছাড়াই সিজার অপারেশন করা হয়েছিলো। তাছাড়া অন্য সময়েও হাসপাতালে কোন ডিউটি ডাক্তার থাকে না।
কুমরী ওয়ার্ডের মেম্বার আসাদুল ইসলাম, বলেন এ ধরনের অবৈধ হাসপাতাল সরকার রাখার করণে অল্প বয়সে অনেক গর্ভবতী মাকে মৃত্যুর মুখে পড়তে হচ্ছে।
আল মদিনা প্রাইভেট হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ থাকায় ব্যবস্থপকে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান, এ ধরনের অবৈধ হাসপাতাল বা ক্লিনিক কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। উল্লেখ্য, অনেক বার এ ক্লিনিক সিলগালা করা হলেও আবার প্রশানকে মেনেজ করে ক্লিনিকের কার্যক্রম চালিয়ে যায়। যার ভুক্তভুগী হয় অসহায় সাধারন রুগী।












